বিশ্ব ব্যক্তিত্বের উপাধি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর→বিশ্বকবি।
জসিম উদ্দিন→পল্লীকবি।
জয়নুল আবেদীন→শিল্পাচার্য।
চিত্তরঞ্জন দাস→দেশ বন্ধু।
হোমার→ব্লাইন্ড বার্ড।
করম চাঁদ গান্ধী→মহাত্মা।

Bangla

বাংলাদেশ বিষয়ক (মধ্যযুগ)

১। বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ?
= ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ
২। বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান কে ?
=গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
৩। বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ?
= মুর্শিদ কুলি খান

Bangla

বাংলাদেশ বিষয়ক

প্রশ্নঃ ‘বিরাম’ চিহ্ন ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
উত্তরঃ বাক্যতত্ত্বে
প্রশ্নঃ ladies finger বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ ঢেড়শ
প্রশ্নঃ ‘অভাগা যেখানে যায় সাগর শুকিয়ে যায়’- প্রবাদটি কোন গল্পে প্রয়োগ করা হয়েছে?
উত্তরঃ কলিমদ্দি দফাদার

Bangla

Model Test – 2

বাংলাদেশ বিষয়ক |

১। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপত্তি এবং দেশের জলসীমায় সমাপ্ত একমাত্র নদী কোনটি?

(ক) কালনি √(খ) সাঙ্গু (গ) পালং (ঘ) হালদা।

২। জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

Bangla

Good Bye Bali and Hello Phuket

Perjalanan kami di Bali telah berakhir. Saatnya untuk berpisah dengan rombongan teman-teman kantor yang masih akan menghabiskan satu hari di seputaran Kuta untuk berbelanja. Pagi-pagi buta kami berangkat menuju Bandara Internasional I Gusti Ngurah Rai dengan mode transportasi favorit kami yaitu, Grab. 965 more words

Transportasi

চির বসন্ত

সংবাদপত্রে মাঝেমাঝেই বেশ অন্যরকম খবরে চোখ আটকে যায়। অন্যরকম বলতে আমরা যা দেখে আসি  সেই গতানুগতিক খবরের বাইরে কিছু  অসাধারণ ঘটনা। ছোট্ট খবর কিন্তু সারাদিন মনের অবচেতনে ঘুরপাক খেয়ে যায়। যেমন সেদিন পড়লাম ৯৮ বছরের  তরুণ অসম মনোবলের অধিকারী রাজ কুমার বৈশ্য এর  নালন্দা মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে  অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার  গল্প। বয়স হার মেনেছে উদ্যমের কাছে।এই রকম বৃদ্ধ বয়সে যেখানে অধিকাংশ কেন, প্রায় সব মানুষই অশক্ত, গৃহ বন্দী,অসুস্থ বা দৃষ্টি শক্তি বা শ্রবণ শক্তি হীন হয়ে পড়ে  সেখানে এটা  যে কত বড় অসম্ভব কান্ড -হয়ত আমাদের চিন্তার ও বাইরে।

এর কিছুদিন পরেই পড়লাম  চিত্রতারকা সইফ আলি খান  এক সাক্ষাৎকারে  বলছেন,”আমরা বয়স বাড়ছে বলে বুড়োই না  বরং    পুরানো ধ্যানধারণা গুলোকে প্রানপনে  আঁকড়ে ধরে রাখতে গিয়ে একটা কাঠিন্য এনে ফেলি।এই কাঠিন্যই আমাদের বুড়িয়ে দেয়।  বরং নমনীয়তা থাকলেই ভাল।”   পড়ে  বেশ  লাগল । সত্যিই তো,  শুধুমাত্র বয়স বাড়ছে বলেই নতুন কিছুর সঙ্গে আড়ি করতে হবে কেন ? বরং সময়ের তালে তালে চলতে পারলে নিজেকে আর অচল পয়সা মনে হবেনা। এখন যাঁরা  বয়সে বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা ,তাঁদের মধ্যে কিছুদের যখন নতুন প্রজন্মের সঙ্গে তাল মিলিয়ে  স্মার্টফোনে আঙুল চালাতে দেখি , তখন মনে মনে তারিফ না করে পারিনা।যদিও আমার পরিচিত পরিজনের মধ্যেই স্মার্টফোন নিয়ে এক ভয়ানক অ্যালার্জি লক্ষ্য করি।

সেদিন এক সত্তরোর্ধ  মারাঠী মাসিমার সঙ্গে কথা হচ্ছিল।  খুব সাদামাটা মহিলা, প্রায়শই কোমর আর হাঁটুর ব্যথায়  জেরবার। সদ্য সদ্য মহিলা- ভ্রমণ দলের সঙ্গে একা গিয়ে ব্যাঙ্কক ঘুরে এসেছেন। পুত্র  পুত্রবধু নাতনী গেছে সম বয়সী বন্ধুদের সঙ্গে দুবাই ভ্রমণে। চমকে গেলাম যখন বললেন  সমুদ্রতীরে   হট এয়ার বেলুনে তিনি চড়ে ঘুরলেন।বলেই ফিক ফিক করে হেসে উঠলেন।  ভয় করল না? আমি জিগ্যেস করলাম । বললেন,  ডর কে কেয়া ফায়দা! বলেই হো হো করে হাসি। মাসিমার শিশু সুলভ নির্মল আনন্দের ভাগী হলাম। এই রকম  অ্যাডভেঞ্চার করার সাহস করতে পারলেন  হয়ত মনটা  এখন ও তরুণ বলেই ! তবে বলে রাখি  ইনিও কিন্তু স্মার্টফোনটা ব্যবহার করতে পারেন না।

একটা পরিবর্তন যেটা সাদা চোখে ধরা পড়ছে  তা হল  এই  আধুনিক সময়ের  প্রবীণ মানুষেরা গত চার দশক আগের প্রবীণদের তুলনায়   অনেক বেশী  সচল, সক্ষম এবং সুস্থ।   চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির সঙ্গে যেহেতু গড় আয়ু বেড়েছে, শারীরিক  সক্ষমতাও বেড়েছে  তাই  আগে যে কাজটা অভাবনীয় ছিল সেটাও এখন সম্ভবপর হচ্ছে।  তাই বয়স টা এখন কোন কোন বিশেষ ক্ষেত্রে ফ্যাক্টর  হয়ে দাঁড়াচ্ছে না । যারা আর্থিক ভাবে সচ্ছল, শারীরিক ভাবে সুস্থ  এবং সবচাইতে গুরুত্বপুর্ন- যাঁরা  পরিবার পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে মানসিক ভাবে আনন্দে আছেন বা খুশীতে আছেন তাঁরা অনেক কিছু করার কথা ভাবতে পারেন।নয়ত  এর কোনোটার অভাব বৃদ্ধ বয়সে একাকিত্বর দিকে ঠেলে দেয়।পারিবারিক সহযোগিতা থাকলে অনেক অক্ষমতাই কাটিয়ে ওঠা  অসম্ভব নয় কিন্তু জীবনের পড়ন্ত বেলায় অনেকেই সেই হাত ধরবার মানুষদের কাছে পায়না।   প্রতিকুলতার সম্মুখীন আমরা  অবশ্যই সর্ব ক্ষেত্রে  সব বয়েসেই হয়ে থাকি,  এটাই জীবন। তবু  কাউকে কাউকে দেখে আমরা একটু সাহস সঞ্চয় করি।জীবন টাকে পরিপুর্ণ ভাবে উপভোগ করতে গেলে সুস্থ তো থাকতেই হবে আবার মানসিক বার্ধ্যক্যকে একটু দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। যযাতির  মত যৌবন  তো আর ফিরিয়ে আনা যাবে না! সেই চেষ্টা  করেও  লাভ নেই বরং  অভিজ্ঞ জনেরা   বলছেন  মনের যৌবন ধরে রাখতে গেলে নিজের অতীত বা সেই সময়কার  ধ্যান ধারণা কে  আঁকড়ে ধরে রাখলে চলবে না   বরং যা কিছু নতুন  তাকে  গ্রহণ  করার মন টা তৈরী করতে হবে। জীবন চর্যায় কিছু  ইতিবাচক পরিবর্তন কাম্য যেমন যথেষ্ট ঘুমাতে হবে কারণ  ঘুমটা ঠিকমত না হলে শরীরের সমস্ত কলকব্জাই বিগড়োতে পারে। বন্ধুবান্ধব আত্মীয় পরিজন যাদের সঙ্গ আনন্দদায়ক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে বা সময় কাটালে অনেক মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা যাবে।একটু শরীরচর্চা, হাঁটাহাঁটি, রসনায় লাগাম,  পর্যাপ্ত জল খাওয়া এগুলোতো সুস্থ থাকতে দরকার হবেই তাই সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে বইকি। আর মনের আনন্দে যেন কোনো ভাঁটা না পড়ে সেটাকেও গুরুত্ব দিতে  হবে। যতদিন শ্বাস ততদিন আশ  এই কথাটি মনে রেখে বলি  বয়স এসে কড়া নাড়তে থাকুক না, মনটা থাকুক সবু্‌জ, প্রানবন্ত।

Bangla

কবি / সাহিত্যিকদের প্রথম গ্রন্থ

v  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস?
উঃ বউ ঠাকুরানী হাট, ১৮৭৭ সাল।

v  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কবিতা?
উঃ হিন্দু মেলার উপহার, ১২৮১ বঙ্গাব্দ।

v  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোট গল্প? 108 more words

Bangla