ট্যাগগুলি » রাজনীতি

ফালু এখন...


বেশ কয়েক মাস ধরে কোথাও প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না বিএনপিতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত মোসাদ্দেক আলী ফালুকে। দেশের বাইরে (ব্যাংককে) চিকিৎসার জন্য গেছেন এমন খবর ছিল কিছুদিন আগে, কিন্তু পরে আর তার অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট করে তথ্য দিতে পারছেন না কেউ।

চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় ফালুকে নিয়ে তুমুল আলোচনা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যবসায়ীকে নিয়ে কথাবার্তা অনেকটাই কমে এসেছে।

ত বে ফালু সবশেষ আলোচনায় এসেছিলেন গত বছরের আগস্টে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর। ওই কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যানের পদ দেয়া হয়েছিল তাকে। কিন্তু সেই পদ ধরে রাখতে রাজি হননি তিনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করে তিনি কৌতূহলের জন্ম দেন। তখন তিনি চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক ছিলেন বলে খবর ছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে ফালু দেশে ছিলেন না, কিংবা এখনো নেই এটা নিশ্চিত করেন দলের ও তার প্রতিষ্ঠানের একাধিক সূত্র। চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে গিয়েছিলেন এমন তথ্য শোনা গেলেও এখন তিনি সেখানে আছেন কি না তা বলতে পারছেন না তারা। তবে আপাতত তার দেশে ফেরা অনিশ্চিত বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনেরা।

বিএনপির চেয়ারপারসনের কার‌্যালয়ের এক কর্মকর্তার কাছে ফালুর অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘ফালু ভাই বিদেশে আছেন। এটা ঠিক। কিন্তু কোন দেশে আছেন সেটা নিশ্চিত করে জানি না।’

২০১৫ সালের শুরুর দিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হন ফালু। প্রায় চার মাস পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় ফালুকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় সংস্থাটি। কিন্তু তাকে পায়নি দুদক।

বিএনপির রাজনীতি করলেও দলে মোসাদ্দেক আলী ফালুর প্রকাশ্য কোনো তৎপরতা নেই। তবে দলের জন্য বড় অঙ্কের অর্থের জোগান দেন বলে প্রচার আছে। এ ছাড়া চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কারণে দলে তার প্রভাব রয়েছে।

জানা গেছে, নিজের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে দূরে রাখেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির অন্যতম মালিক ফালু।

তবে ফালু আগামী নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করতে চান বলে জানায় দলীয় সূত্র। রমনা, মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন ও শাহবাগ নিয়ে গঠিত এই আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এখন পর্যন্ত হাবিব উন নবী খান সোহেলের নাম অনেকটা নিশ্চিত হয়ে আছে। সেভাবেই চলছে দলীয় সম্ভাব্য বাছাই কর্মকাণ্ড।

ফালুর মালিকানাধীন বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির একটি সূত্রের দেয়া সর্বশেষ তথ্য, তিনি বর্তমানে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কবে তিনি দেশে ফিরবেন তা বলতে পারেনি সূত্র।

রাজনীতি

'আওয়ামী লীগকে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আনতে ঘরে ঘরে যাবে ছাত্রলীগ'

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন বলেছেন, ২০১৫ সালের আজকের এই দিনে সারা বাংলার ছাত্রলীগ নেতাদের প্রত্যেক্ষ ভোটে দায়িত্ব পাওয়ার পর চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম তৃণমূলকে একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে রুপদান করবো। ইনআল্লাহ সংগঠনের সভাপতি ও আমি নিজে রাতদিন পরিশ্রম করে সেটা করতে সক্ষম হয়েছি। অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে আজকে তৃণমূল ছাত্রলীগ সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ এবং সুশৃঙ্খল একটি সংগঠন। এখন আর বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলের মতো ক্যাম্পাসগুলো অস্ত্রের ঝনঝনানি নেই। টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি নেই। ছাত্ররা আজ ক্যাম্পাসগুলোতে সহাবস্থানে থাকতে পারে। সর্বপরি আমাদের অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে আদেশ নির্দেশ দিয়েছেন সারা বাংলায় ছাত্রলীগের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছি। আজ বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।    
এসএম জাকির হোসাইন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে মাঠে থাকবে ছাত্রলীগ। সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের উন্নয়ন, বিগত বিএনপি-জামায়াতের লুটপাট, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড জনগণকে অবহিত করবে। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা হবে। সরকার ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা থাকলে আগামীতে দেশ কোথায় যাবে সেগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরে নৌকার ভোট বাড়ানোই হবে ছাত্রলীগের অন্যতম কাজ। তিনি  বলেন, সরকারের উন্নয়নগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরে একাদশ নির্বাচনে তৃতীয় বারের মতো নৌকার বিজয় নিয়ে আসতে ছাত্রলীগ প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে যাবে। 
উল্লেখ, গত ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই সারাদেশের ছাত্রলীগ নেতাদের ভোটের মাধ্যমে মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও এসএম জাকির হোসাইনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কমিটি দুই বছর পূর্তি হলো আজ। দায়িত্ব পাওয়ার পর দুই বছরের মুল্যায়ন সর্ম্পকে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন বলেন, আমাদের দায়িত্ব পালনের সফলতা-ব্যর্থতার বিচার বিশ্লেষন করবে তৃণমূল নেতাকর্মী এবং সংগঠনের সাবেক নেতারা। আমরা শতভাগ সফল এ দাবি করবো না। তবে আমরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছি। ছাত্রলীগকে একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছি। ছাত্রলীগে কেউ অপরাধ করলে কোন ছাড় দেওয়া হয়নি। সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাগ্রহন করতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এখন নিয়মিত পাঠচক্র করে। নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগীতা, স্কুল কলেজে বঙ্গবন্ধুর ওপর রচনা-কবিতা লেখাসহ জাতির জনকের আদর্শে গড়ে তুলতে সব ধরনের কাজ করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন সর্ম্পকে জানতে অসমাপ্ত আÍজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা বই বিনামুল্যে বিতরণ করা হয়েছে। 
এসএম জাকির হোসাইন বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ৪টি বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা, দুটি বর্ধিত সভা ও নিয়মতান্ত্রিক কার্যনির্বাহী সংসদের সভা করা হয়েছে। ছাত্রলীগ নিয়মিত সাংগঠনিক কর্মকান্ডের বাইরেও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, খেলাধুলার মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিও পালত করে। এ বছর ৮টি সাংগঠনিক টিম করে দেশের উত্তরাঞ্চলের ৬ জেলা ও সিলেট অঞ্চলে ত্রাণ বিতরণ করেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। গত মাসে ১২ জুন রাতে প্রবল বৃষ্টির ফলে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড় ধ্বসে প্রায় ১৬৩ জন মানুষ নিহত ও অনেকে আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল টিম এবং ত্রাণ দেয়ার জন্য ২৫ সদস্যের টিম পাঠানো হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতারা এ টিমে কাজ করেন। এ ছাড়াও ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাতে কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ছাত্রলীগ ৩ টি মেডিকেল টিম ও ৩ টি ত্রাণ টিম পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ পরিচালনায় একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠন করা হয়েছে। এই সংগঠনটির নাম  “মাতৃভূমি সাংস্কৃতিক সংসদ”। যেখানেই ছাত্রলীগের কমিটি রয়েছে সেখানেই এ সংসদ বাধ্যতামূলক। বিগত দুই বছরে নিজেদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিযোগীতারও আয়োজন করে সংগঠনটি। 
ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সর্বশেষে একথা বলতে পারি, সম্মেলনের মাধ্যমে দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম দিন থেকে আমরা কাজ করেছি। তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে। তৃণমূলকে ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করাই আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। সরকারের ছাত্রবান্ধব কাজগুলো আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। বৃক্ষরোপন, সামাজিক, রক্তদান কর্মসূচি করেছি। সর্বপরি জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন, মিশন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। তরুণ সমাজকে জাতির জনকের হাতে সংগঠন ছাত্রলীগের পতাকাতলে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

রাজনীতি

​নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) জাতীয় পার্টির কথা শোনা না গেলেও আ‘লীগ বিএনপিতে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী

স্টাফ রিপোর্টার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পদচারনায় নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মানুষের মুখে মুখে এখন আলোচিত নির্বাচন ও প্রার্থীদের বিষয়টি। এ আসনটি এক সময় বিএনপি’র ঘাঁটি হিসাবে চিহ্নিত ছিলো। প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কর্মীসভা ও পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিল এর মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেছেন। এখন নির্বাচনী মাঠ দখল এবং মনোনয়ন নিশ্চিত করতে এলাকায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে । এই আসনে বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়মীলীগ ও বিএনপি’র একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নাম শোনা যাচ্ছে। ভোট আসতে এখনও ১ বছর ৬ মাস বাঁকি থাকলেও থেমে নেই বড় দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর প্রচার প্রচারণা। দলীয় নেতা-কর্মীদের চাঙা রাখতে তৎপর হয়ে উঠেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এদিকে আসনটি আওয়ামীলীগের ধরে রাখা আর বিএনপি’র পুনরুদ্ধার নির্ভর করছে প্রার্থী নির্বাচনের উপর। এ আসনে জাতীয় পার্টির কথা শোনা না গেলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে রয়েছে একধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। 10 more words

রাজনীতি

শিক্ষার্থীরা যাতে জঙ্গি পথে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেক্স : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যাতে জঙ্গি পথে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তারা কোথায় যায়, ক্লাসে অনুপস্থিত থাকছে কিনা সেটা দেখতে হবে। তা হলে তারা জঙ্গি পথে যাবে না।

রবিবার সকালে গণভবনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে আমরা শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছিলাম। নিরক্ষরমুক্ত দেশ গড়তে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আজকে আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। তবে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ কম। কিন্তু এ শিক্ষার প্রয়োজন।

পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ফেল করেছে তাদের পড়ালেখার প্রতি উৎসাহ দিতে হবে। তাদের পড়ালেখার প্রতি আরও মনোনিবেশ করতে হবে, তাদের আরও ভালো করতে হবে।

তিনি বলেন, আগে কম্পিউটার স্বপ্নের মতো ছিল। অনেকে চিনতোই না। আমরাই প্রথম কম্পিউটারের ওপর থেকে ট্যাক্স তুলে নিয়েছিলাম। এছাড়া বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসারের জন্য ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় করেছিলাম। আমাদের মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না, আমি প্রথম করেছি। দেশে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল, আমি আরও চারটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করেছিলাম।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি ছেলেমেয়েদের কাছে চাই- তারা পড়াশুনা করুক। তাদের শিক্ষার জন্য আমি বৃত্তি দিচ্ছি। ট্রাস্ট ফান্ড করেছি যাতে উচ্চ শিক্ষা নিতে পারে। আমরা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কারণ সবাই একই ধারার শিক্ষা নেবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর শুরু করে বর্তমান সরকারও সে আদর্শকে লালন করে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের ক্ষুধার্ত-দরিদ্র মানুষের মুক্তি, অধিকার আদায়েই জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তুলতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করেছিলেন। একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে পৃথিবীর ১১৬টি দেশের স্বীকৃতি আদায় ও জাতিসংঘসহ ২৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করেছিলেন।

তিনি বলেন, যখন পরীক্ষার রেজাল্ট হলে পত্রপত্রিকা নানা কথা লেখে। তারা ভুলে যান আমরা ক্ষমতায় আসার আগে কতজন পাস করত, আর এখন কতজন পাস করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বহুমুখী শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছি। কারিগারি শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে টেক্সটাইল ও ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। সারাদেশে ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছি ৫ হাজার ২৭৫টি। এছাড়া লার্নিং অ্যান্ড আর্নিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে গ্রামের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি আয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। ১০টি ভাষার অ্যাপস তৈরি করে দিয়েছি, যাতে বিভিন্ন ভাষা শিখে তারা বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

তিনি বলেন, আমরাই প্রথম ৬০ দিনের মধ্যেই রেজাল্ট দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। আগে পরীক্ষার সময় ও ফল প্রকাশের সময়ের কোনও ঠিক ছিল না। আমরা নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে এনেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ভর্তির ফরম সংগ্রহ, চাকরির জন্য তথ্য বাতায়ন করে দিয়েছি। এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়। ফলে ছোটছুটি করে সময় নষ্টের প্রয়োজন হয় না। ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ দেশের দায়িত্ব এ ছেলেমেয়েদের নিতে হবে। ভালো বিজ্ঞানী, শিক্ষক হতে হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই এখনকার ছেলেমেয়েদের নেতৃত্ব দিতে হবে। অনেক রক্ত দিয়ে দেশটা স্বাধীন করেছি। বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদামপূর্ণ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। প্রতিটি মানুষ যে মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে। স্বাধীনতার পর সামরিক শাসকরা দেশকে ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিল। কয়েক বছর রিফুজি হিসেবে বিদেশে বাস করেছি। তখন বাংলাদেশের নাম শুনলে সবাই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করত।

উল্লেখ্য, সারাদেশের পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭০ জন, পাস করেছে ৮ লাখ এক হাজার ৭১১ জন।

বাংলাদেশ

দিনাজপুরের খানসামা থানায় পুলিশ সুপার এর নির্দেশে অপরাধ নির্মুল ও মাদকমুক্ত ব্লক রেড অভিযান

মোঃ নাইমুর রহমান সিফাত খানসামা(দিনাজপুর)প্রতিনিধি : দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় অপরাধ নির্মুল ও মাদকমুক্ত ব্লক রেড অভিযানে গ্রেফতার ৬০|খানসামায় চোরেরা এতই বেপরোয়া হয়ে গেছে যে চুরি গাঁজা মদ ছিনতাই ব্যপকভাবে বেড়েছে,গত ২১ জুন সাংবাদিকের দম্পত্তির মটর সাইকেল চুরি জয়গঞ্জ বাজারের পাশে একটি বাড়ির তালা ভেঙ্গে দুটি মটর সাইকেল চুরি,একের পর এক অপরাধ মূলক কর্মকান্ড বেড়েছে যা নিয়ন্ত্রেনের জন্য মাননীয় দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃহামিদুল আলমের নির্দেশে ইনচার্স খানসামা আঃ মতিন প্রধানের নেত্রিতে পরিচালনা করা হয় অপরাধ নির্মুল ও মাদকমুক্ত অভিযান ব্লক রেড গত ২৩/০৭/২০১৭ তারিখে অত্র অভিযানে গ্রেফতার ৬০ জন|খানসামা খানার পুলিশ এই প্রথম বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এত বড় মাপের অভিযান পরিচালনা করেন একই দিনে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়ছে ৬০ জনকে|আসামীধের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি|উদ্ধারকৃত ডিসকভার মটর সাইকেল ১২৫ সিসি,১৫০ গ্রাম গাঁজা,৩৮ লিটর চোরইমদ পুলিশ অভিজানে উদ্ধার করেন||

খবর

দিনাজপুরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে না পারায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস

দয়াল ডিসি রায় ,বীরগঞ্জ প্রতিনিধি : দিনাজপুরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে না পারায় জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল কুদ্দুস (৭০)। সন্ত্রাসীরা তাকে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতিসহ জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে। এ থেকে পরিত্রান পেতে মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল কুদ্দুস দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগে জানা গেছে,দিনাজপুর শহরের বালুয়াডাঙ্গা দপ্তরীপাড়া এলাকার মৃত শহির উদ্দিনের ছেলে কানা আসলাম (৪২) ও মো.আকরাম হোসেন (৪৪) বেশ কিছুদিন থেকে প্রতিবেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে ময়লা পানি ও আবর্জনা ফেলে আসছে। এর প্রতিবাদ করায় তারা মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল কুদ্দুস ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ভয়ভীতি, বাড়িতে মাদক দ্রব্য ফেলে দিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে। সেই সাথে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করছে কানা আসলাম (৪২) ও মো.আকরাম হোসেন। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল কুদ্দুস সোমবার দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়দি তদন্তের জন্য জেলা পুলিশ সুপার অভিযোগপত্রটি ডিবি পুলিশ বরাবরে প্রেরণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা মো.আব্দুল কুদ্দুস জানায়, আমরা পরিবারের সবাই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কানা আসলাম (৪২) ও মো.আকরাম হোসেন (৪৪) চাঁদাবাজ,সন্ত্রাসী ও মাদকসেবী। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আমাদের বাড়িতে বসবাস করা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। যে কোন মূহুর্তে তারা আমাদের ক্ষতি সাধনের ঘটনা ঘটাতে পারে।
অন্যদিকে আসলাম ও মো.আকরাম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তবে তাদের পরিবারের লোকজন জানায়,বাড়ি’র জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মো.আব্দুল কুদ্দুস বিডিআরের সাথে আমাদের মত বিরোধ চলছে। চাঁদা’র দাবী ও জীবন নাশের হুমকি’র অভিযোগ সত্য নয়।

খবর

তাঁতী লীগের খসড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিএনপি নেতারা!


ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন তাঁতী লীগের ত্যাগী ও নিবেদিতদের বঞ্চিত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার পাঁয়তারা চলছে বলে বিস্তর অভিযোগ চাউর হতে শুরু করেছে। সংগঠনটির সাবেক আহ্বায়ক এনাজুর রহমান ও তার অনুসারীরা গঠিত হতে যাওয়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পাচ্ছেন না বলে আশঙ্কা করছেন। তারা দাবি করছেন, খসড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনেক হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারীর নাম রয়েছে।

রাজনীতি