ট্যাগগুলি » ইন্টারনেট

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং শিখুন মাত্র একটি ক্লাসে

আপনি এতদিন হয়ত অন্যের গ্রাফিক্স ওয়ার্ক ও ভিডিও এডিটিং দেখেই চমকে উঠেছেন! বিভিন্ন সিনেমা থেকে ঘরোয়া পরিবেশের একটি নাটিকা পর্যন্ত সব জায়গাই গ্রাফিক্স ও এডিটিং

Computer And Internet

ফেসবুক ও বাংলাদেশের তরুণ সমাজ

ফেসবুক যুক্তরাষ্ট্রের কালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্ক ভিত্তিক লাভজনক কর্পোরেশন, সোশ্যাল মিডিয়া, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস। মার্ক জাকারবার্গ এবং হাভার্ড কলেজে তার সঙ্গী এডুয়ার্ডো সাভেরিন, এ্যান্ড্রেউ মাককলাম, ডাস্টিন মসকোভিটজ, এবং ক্রিস হিউজ কতৃক ফেসবুক ওয়েবসাইট ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চালু হয়।

বাংলাদেশ

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট বিষয়ক কিছু সমস্যা ও কার্যকর সমাধান

১০ টি নির্বাচিত কম্পিউটার টিপস

নতুন নতুন যারা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করছেন তাদের জন্য ১০ টি নির্বাচিত সহজ সমস্যার সহজ সমাধান আজকে আপনাদেরকে দেয়ার চেষ্টা করব। উপরের ভিডিওগুলো দেখলেই, একটার পর একটা সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। কি কি বিষয় দেখানো হয়েছে সেটাই বরং বলি-

Tutorialsbangla

বীরশ্রেষ্ঠ- ইন্টারনেট এবং বাস্তবতা !

সমান্তরাল,খন্ডিত ও অতি সরলীকরণকৃত ইতিহাস চর্চা এবং কোন বিষয়ে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও   মানবিকতাসম্পন্ন বিশ্লেষণী শক্তির অধিকারী মানুষের মহামারীসম সংকটের এই বর্তমান সময়ে,যে কোন স্তরের শিক্ষার্থী বা ছা-পোষা যে কেউ যদি বাস্তব জীবনের যে কোন কারণে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্লা ব্লা ব্লা ধরণের ইতিহাস বর্ণনার কোন একটি অংশ,বাক্য বা তথ্যে সন্দেহ পোষণ করে ইন্টারনেটের সাহায্যে তার সেই সন্দেহ দূর করতে যায় তবে যে বেকায়দা অবস্থার সম্মুখীন তাকে হতে হবে,সে প্রসঙ্গেই এই লেখার অবতারণা। 54 more words

1971

বিগ ডাটা: এগারো

৪৯.

প্রযুক্তির মার্ভেল দেখাচ্ছে সবাই। আর দেখাবেই না কেন? মানুষ তো তুলে দিয়েছে তার সবকিছু ইন্টারনেটে। ক্লাউডে। সোশ্যাল মিডিয়াতে। তার সব মতামত। তার পছন্দের অপছন্দের খবর। কোন ঘরানার মানুষ সে। কোন রেস্টুরেন্টে যাওয়া পড়ে বেশি। সেটার সুবিধা নিচ্ছে বুদ্ধিমান কোম্পানিগুলো। কেন নয়? আমি যদি দরকার মতো প্রোডাক্ট খুঁজতে পারি ইন্টারনেটে, সে নয় কেন? সেও খুঁজছে প্রোডাক্ট। আমার আপনার মতো।

কখনো ভেবেছেন গুগল ম্যাপ কিভাবে জানে এতো ট্রাফিক ইনফরমেশন?

অথবা,

ও কিভাবে জানে আপনার দেরি হচ্ছে তিন মিনিট? কিভাবে বের করছে ফাস্টেস্ট রুট? গুগল ম্যাপে। অথবা উবারে?

আমরা পারছি না কেন ওই জিনিস? ট্রাফিক জ্যাম কমাতে? নিজেদের? নিজেদের বাস সার্ভিসে? বাসা থেকে বের হবার আগে দেখে নিতে – কোন বাসটা আসছে মিরপুর দশ নম্বরে? পাঁচ মিনিটের মধ্যে।

৫০.

ডাটার ক্ষমতা অনেক। বিশেষ করে ওপেন ডাটা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন সরকারী সাইটে। বিভিন্ন অ্যানুয়াল রিপোর্টে। এই ডাটা নিয়ে বুদ্ধিমান সরকারগুলো পাল্টাচ্ছে নিজেদের সব ‘রদ্দি’ নীতিমালা। সবার কথা, যেই নীতিমালার আউটকাম নেই বললেই চলে, সেটাকে পাল্টে ফেলা ভালো। তো, জানবেন কিভাবে কোন নীতিমালা কাজ করছে ওই দেশে? আর কোনটা না? বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস। পাঁচ দশ বছরের ডাটা ফেলেই দেখুন না – কি করে সেটা? মাথা ঘুরতে থাকবে সারাদিন।

৫১.

মজার কথা হচ্ছে দেশগুলোর সরকারী ডাটার ৯৭ শতাংশই ওপেন ডাটা। মানে, ব্যবহার করতে পারে সবাই। আর সেটা করা হয়েছে জনগনের সুবিধার কথা চিন্তা করেই। সরকারগুলো তাদের সব পাবলিক ডাটা নিয়ে তৈরি করছে আলাদা অ্যানালাইটিক্স। গুগল করুন “গভর্নমেন্ট ওপেন পাবলিক ডাটা”। প্রতিটা নীতিমালার আউটকাম দেখা যায় আগে থেকেই। বাস্তবায়ন করার আগেই। পুরোনো ডাটা থেকে। মডেলিং করে। দেশগুলো রক্ষা পায় টাকা নষ্ট হবার হাত থেকে।

৫২.

ধরুন, ‘ক’ দেশের সরকার চিন্তা করলেন টিফিন দেয়া হবে স্কুলে। বাচ্চাদের ছোটবেলার পুষ্টির কথা চিন্তা করে। স্কুলে উপস্থিতি বাড়াতে। সরকার সামান্য ইনভেস্টও করলেন ব্যাপারটাতে। এখন, ৫০ বছর পর দেখতে চাইলেন ওই সামান্য নীতিমালার প্রভাব কতটুকু পড়েছে দেশের পুরো জনগোষ্ঠী ওপর। এখন আমরা জানি ওই ‘টিফিন’ দেশগুলো কোথায় আছে সবকিছুতে।

৫৩.

বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে স্মার্ট বাচ্চাগুলোকে ‘ট্র্যাক’ করতে পারি স্কুল থেকেই। পরীক্ষার সব ডাটা কিন্তু ওপেন। ওদেরকে ‘ট্রেইন’ করতে পারি ছোট থেকেই। লিডারশীপ রোলে। সন্তর্পনে। কে কোন বিষয়ে ভালো খারাপ করছে সেটাও থাকবে নজরদারিতে। যারা ওই ছোটবেলা থেকে তৈরি করতে পারবে ‘ভ্যালু’, সমাজের জন্য – তাদের পেছনে ইনভেস্ট করবে সরকার।

ইন্টারনেট

                বর্তমান যুগে ইন্টারনেটের গুরুত্ত কতটুকু তা আমরা সবাই জানি। এর কারনেই আজ আপনারা এখানে এই কন্টেন্ট গুলো দেখতে পারছেন।আসুন আজ এই ইন্টারনেট নিয়ে কিছু তথ্য জেনে নিই।

Wi-Fi এর দিন শেষ হতে চলেছে। আসছে Li-Fi. তাহলে Li-Fi টা কি ??

বাসার লাইট বাল্ব এর মাধ্যম এ ইন্টারনেট  ব্যবহার করার প্রযুক্তির নাম li-fi. Li-fi এর পূর্ণরুপ light fidelity।বর্তমান সময়ে Wi-Fi ব্যবহার করে পৃথিবীতে ৬০ ভাগ মানুষ। Wi-Fi এ radio wave ব্যবহার করে data transmit হয়। এবং Li-Fi এ visible Light wave ব্যবহার করে data transmit হয়।এই Light wave এর frequency radio wave এর থেকে ১০ গুন বেশি। light wave data transmit radio wave এর থেকে অনেক দ্রুত হয়।এর সুবিধা পাওয়ার জন্য আমাদের সাধারন বাল্বের পরিবর্তে বিশেষ ধরণের LED বাল্ব ব্যবহার করতে হবে। LED হচ্ছে semi conductor।এক ধরণের electric  ডিভাইস।যা দ্রুত অন অফ হতে পারে।এই  অন অফ এর মাধমে data transmit  হয়। এই বিশেষ ধরণের LEd অনেক দ্রুত Data transmit করতে পারে। যার ফলে ইন্টারনেট গতি বেশি পায়।পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি internet ব্যবহার করা হয়  ১০০mbps। কিন্তু LED এর মাধমে ১০ gbps ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারা যাবে। যা সব্বোচ গতির থেকে ১০০ গুন বেশি। Wi-Fi এর প্রধান সমস্যা এর মধ্যে দূর্বল নিরাপত্তা। যার ফলে তথ্য চুরি হয়ে থাকে। কিন্তু LED নিরাপত্তা প্রদান করে। যার ফলে এক রুম এর আলো অন্য  রুম এপ্রবেশ করতে পারবে না।অন্য কেও internet ব্যবহার করতে পারবে না।এর জন্যে LED বাল্ব সারাদিন জ্বালিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। কোন প্রবলেম ছাড়াই বাল্ব এর আলো কমাতে পারা যায়। যা দেখে মনে হবে বাল্বটি অফ আছে।

প্রযুক্তি