ট্যাগসমূহ » আমার কবিতা

বিজয়ের গান

বিজয়ের গান
এ.এইচ.ফরায়েজী।

আঁধারো মাঝে
আলোরো হাসি,
ছাপিয়াছে সদা
কালোরো রাশি।

দূঃখেরো পরে
বিজয়ো হাসি
বাজায়াছে সদা
সুখেরো বাঁশি।

কহিতে পারি তাই
জগতো মাঝে
দূঃখেরো চেয়ে
মহিয়ান কিছু নাই।

সুখ ওযে বন্ধু তোমার
যাইতে পারে ছাড়ি
দূঃখ তোমার রহিবে আপন
নাহি যাবে কোথা হারি।

তবু
বিধাতায় সদা কয়
দূঃখ সহিলে
আসিবে যে সুখ
সে সুখ কভু,
ছাড়িয়া যাবার নয়।

তাই,
বিপদেরো দিন
করিয় সমুখিন
নাহি তোমা কোন ভয়

শাহসেরো সাথে
বহিলে বিপদ
সে বিপদ,
বিপদি কভু নয়।

বিপদে কভু
পিছু হোট নাকো
মানিয়া দেখ কথা

গুণি জনে স্বদা কয়
সত্যের সাথে
বহিলে জীবন
সে জীবন
আমর তুল্য হয়।

তাই উপদেশ কহি ভাই

বিপদের দিনে
অটল রহিয়ো
নাহি ভিরু হওয়া চাই।

সদা মনে প্রাণে
জপিও সে জব
দিয়েছো যে তমি দূঃখ

বিপদেও তুমি
রহিও স্বরণে
কভু তোমারে প্রাণেতে
আমারো এ প্রাণ
যেন,
বিমুখ নাহি হয়।

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪
১৩ আশ্বিন ১৪২১

ছাপিয়াছে সদা কালোরো রাশি। দূঃখেরো পরে বিজয়ো হাসি বাজায়াছে সদা সুখেরো বাঁশি

পাবে কি ফিরে আবার ?

    সাব্বীর  আহমাদ

 

  সফলতার উচ্চ শিখড়ে যদি পৌছতে চাও

‘আমি’ নামের জন্তুটাকে ধুলায় লুটাও।

 খুদ্র  শষ্যদানা থেকে কেমনে হল এ গাছ ?

 নিজকে যদি না মেটাতো মাটিতে ফুটিতো কি তার

সাজ?

আসহাবে নাবী (সাঃ)ও মুজতাহিদিন  আরো আকাবের যত!

এ দ্বীনের লাগি রক্ত ঝরাল কষ্ট করিল কতো

নফসের পিছে যদি তাহারা খরচ করিতেন সবি ছন্দমালায় এদ্বীনের কথা আজো লিখিত কি কোন কবি?

হে নওজোয়ান বন্ধু আমার ভেবে দেখ একবার

ফুরিয়ে যাওয়া সময় তোমার পাবে কি ফিরে আবার ?

আমার কবিতা

ক্ষুদ্র একটি ভেলা

সাব্বীর আহমাদ

জীবন তোমার একটা যে হায়

দেখেছ কি ভেবে মন ?

আর কতদিন থাকবে ধরায়

বাঁচবে কতখন  ?

স্রষ্টা যখন ডাকবে তোমায়

আয়রে চলে আয়!

রঙিন স্বপ্ন ভাঙবে তখন

করবে যে হায় হায়।

  হায়াতেরি রশিতে তোর

পরবে যখন টান

সকল আশা ভেঙেচুরে

হবেরে খান খান।

   প্রশ্নকরে দেখ নিজকে

করছো যে কি হায়

দেখবি কখন আসবেরে

জ্বল চোখেরি পাতায়।

একটু ভেবে দেখনারে মন

করিসনে আর হেলা

জীবনটা তোর ক্ষনিকেরি

ক্ষুদ্র একটি ভেলা।

আমার কবিতা

কবিতায় কিছু গল্প বলা

১) বন্ধু,

প্রথম দেখা,
আমি হয়ত ছিলাম অনেক ধামা ডোলের মাঝে কিছুই না, সময় তখন তারকা ভিড়ের মোহে আবন্ধ।
আমার সময় ‘অন্তু’তে আবন্ধ। তার ভাষায় – মনে মনে মনকলা খাওয়া।
জানি কখনও পাব না, তবুও কেড়ে নিল মন, আবেগ, সময়, আনন্দ, সবকিছু।
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলাম, তবুও মাঝে মাঝে ফিরে আসে সে।
সময় বয়ে গেল, অনেকের সাথে কথা হল, হল মত বিনিময়, নিজের একান্ত কথা,
এভাবেই কেও কেও হয়ে গেল – প্রগাঢ় বন্ধু।

২) ভাল বন্ধু
হঠাৎ একদিন মনের ভিতর উচাটন শুরু হল, ভাল বন্ধু থেকে বড় বউ।
মুখোমুখি বন্ধুত্ব ও মনের উচাটন। বন্ধুকে বললাম,
এটাই কাল হল জীবনের, বন্ধুত্বের ও।
আমি হয়ে গেলাম অস্পরশী, নানা মুখি গঞ্জনার মুখোমুখি প্রতিক্ষণ।
জীবনের এই ঝড়-ঝাঞ্জা ময় জীবনে, একটু আশ্রয় খুঁজছি নিয়মিত –
এক বন্ধু হল – সময়ের সাথী, কিন্তু সময় এত নির্মম যে
সেই করল জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষত।

৩) ব্যস্ততাই সুস্থতা
ক্ষতের পর ক্ষত, সময় যাচ্ছে নির্মম যাঁতাকলে,
বিষণ্ণতা কেড়ে নিচ্ছে  জীবনশক্তি, কমে যাচ্ছে মানসিক ভারসাম্যতা।
এক মুহূর্ত করে করে, নিজে নিজে মৃত্যুর প্রহর পার করা,
বেঁচে থাকাই এখন অনেক বড়।
চারদিকে খুঁজছি বাঁচার পথ, ব্যস্ততাই সুস্থতা।
কখনও এলো মেলো ঘুরে বেড়াই, নতুন কোন আড্ডা বসি,
মাঝে মাঝে সেখানেও শুনি বক্র হাসি, দেখি তির্যক তাকানো।
কখনও লিখি কবিতা, তারাও শান্তি দেয় না, বারে বারে মনে করি দেয় বিষণ্ণতা।
কিন্তু যারা এই সময় একটু কারওকে কাছে পাওয়া,
কারো দেওয়া একটু সাহস ছিল অনেক বড় ব্যাপার,
একটু সময় কাটানো ছিল অনেক কিছু, আবার কেও দিয়েছে বিষণ্ণতায় পথ চলার উপায়।
তারাও জানে না, তারা কিভাবে আমাকে উৎসাহ দিয়েছে, বাঁচিয়ে রেখেছে
ধন্যবাদ তাদের, কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি, ভাল থাকুক তারা।

৪) সময় হল, পালাবার
আমিও খুঁজছি পালাবার পথ, চেনা জানা মানুষ গুলো থেকে
দূরে কোথাও, নতুন জীবনের খোঁজে।
সুযোগ আসল প্রবাসী হওয়ার, তার পর শুরু হল,
কাছের মানুষগুলোর আরেক রূপ, ভয়ঙ্কর, বড় নিষ্ঠুর।
ছয়টি বছর যাদের জন্যে হন্য হয়ে করেছি
তারাই আজ এই রূপে,
তাদের দেখে বক্র হাসি দেয় অনেকেই, এটাও অনেক কষ্টের।
একদিন সত্যি সময় হল, পালাবার, পালিয়ে গেলাম।
আজও পাওয়ার খাতায় শূন্যতায় ভরে আছে।
সবুজ ক্যাম্পাসের শেষদিন গুলো এমন নাও হতে পারত,
কারো ক্ষতি করেছি মনে করি না,
তার পরও অনেক কান্না, চোখের জল, আজও স্মৃতির ধূসরতায় ঘেরা।

৫) পাওয়ার মাঝেও শূন্যতা
শূন্যতায় তবুও রয়ে গেল কেও, সময়ে আমার শূন্যতা তাকেও গ্রাস করল,
সে আমাকে হারিয়ে খুঁজে ফিরছে আমাকে, সময় বড়ই নিষ্ঠুর, চমকে ঘেরা।
সময় হল ভাল বন্ধু থেকে গ্রহণ করার, নাটকীয়তায় সে এলো জীবনে,
কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল, কেও কেও,  সাথে ছিল আমার একটু অভিমানও।
বহমান সময় আরও নিয়ে গেল দূর থেকে দূরে, তবুও
মাঝে মাঝে স্মৃতির ঝাপটা দেয় হৃদয়ের অতল তলে।

​এই বৃষ্টি ভেঁজা ভোরে

সাব্বীর আহমাদ

​এই বৃষ্টি ভেঁজা ভোরে

তোকে,,,খুব মনে পরে।

এই বৃষ্টি ভেঁজা ভোরে

তোকে,,,”ছুঁতে” ইচ্ছে করে।

তোর,,,মায়াবী ঐ চোঁখে

চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে,

তোর,,,হাতের ছোঁয়া পেলে

আনন্দে মোন” দোলে।

তোর,,,মিষ্টি ঠোটের হাসি

যেন যাদুর টানে আসি

সুধু তোকেই ভালবাসি
সুধু তোকেই ভালবাসি।

আমার কবিতা